Breaking News

অভিনব কায়দায় বাঁশের তৈরি অদ্ভুত এক মাছ ধরার ফাদ বানিয়ে পুরো ইন্টারনেটে সাড়া ফেলে ‍দিল যুবক। রশি টান দিতেই উঠে আসছে খাচা ভর্তি মাছ। মূহুর্তেই ভাগ্য বদলে গেল যুবক

নিজস্ব প্রতিবেদন:মাছ ধরতে আমারা অনেকেই পছন্দ করি।মাছ ধরার জন্য আমরা অনেক টাকা খরচও করে থাকি কেননা মাছ ধরার মধ্যে বিশাল আনন্দ রয়েছে।আমাদের দেশে গ্রামে অনেক বড় বড় পুকুর খাল বিল থাকে সেখানে সময় হলে মাছ ধরতে দেখা যায়।সাধারণত বর্ষার সময় মাছ ধরতে খুব বেশি দেখা যায় তখন খাল বিল সব জায়গায় পানি থাকে

এবং সাথে মাছও থাকে তাই গ্রামের মানুষরা আনন্দের সাথে মাছ ধরে এবং তাদের চাহিদা মিটায়।মাছ ধরার মতো মজার বিষয় আর নাই।মাছ ধরা আর মাছ ধরতে দেখা উভয়ই আনন্দের বিষয়।মাছ ধরা অনেকেরই আবেগ ,অনেকেরই পেশা,আবার অনেকেরই সখ।মাছে-ভাতে বাঙালির জীবন, সেই মাছ যখন হারিয়ে যাচ্ছে তখন দেশের খাল-বিল, নদী-নালা, হাওর-বাওরে মাছ ধরার উৎসবের কথা অনেকটাই রূপকথার গল্পের মতো।

গ্রাম বাংলার জনপদে নানাভাবে মাছ ধরার পদ্ধতি প্রচলিত রয়েছে।যা আবহমান বাংলার দীর্ঘদিনের লালিত সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের স্মারক বহন করে। কিন্তু এ সংস্কৃতি এখন প্রায় বিলুপ্তির পথে। মাছ ধরার উৎসবগুলোর মধ্যে অন্যতম উৎসব হচ্ছে পলো বাওয়া।পলো বাওয়া উৎসব গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যের একটি অংশ।নতুন প্রজন্মের অনেক ছেলেরা পলো বাওয়া উৎসব কি সেটা বুঝে না।

কিন্তু সেই উৎসবটি ধরে রেখেছেন গ্রাম অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা।যেখানে প্রত্যেক বছর একটা নির্দিষ্ট সময় মাছ ধরার উৎসবের আয়োজন করা হয়ে থাকে। মাছধরা উৎসবের অন্যতম নান্দনিক পদ্ধতি হলো পলো বা বাওয়া। এটি আবহমান বাংলার প্রাচীন ঐতিহ্যের অংশ। বাঁশ দিয়ে বিশেষভাবে তৈরি ঝাঁপিকেই বলা হয় পলো।

অনেক জায়গায় মাছ ধরা দেখতে ভিড় জমে যায়।প্রাচীন কাল থেকেই মানুষ খাদ্য ও আমিষের চাহিদা পূরণ করতে অন্যতম পরিপূরক হিসেবে মাছ শিকার করে খেয়ে আসছে। মাছ অতি সহজ লভ্য ও পুষ্টির এমন একটি ভান্ডার। মাছ ধরা কে না পছন্দ করে কারো কারো প্রিয় হলো মাছ ধরা বিনা পুঁজির বিনা পুঁজির মাছ ধরে অধিক লাভবান হওয়া যায়।আমাদের দেশে সমুদ্রে যেমন মাছ আছে তেমনি পুকুর,

খাল,বিল সব জাগায় মাছ পাওয়া যায়।যখন গ্রামের পুকুরে মাছ ধরা হয় তখন সেখানে অনেক মানুষ তা দেখার জন্য আসে। পুকুরের পাশে মাছ ধরা দেখার জন্য লোকের ভির জমে যায়।অনেক দূর থেকে দেখার জন্য লোক আসে।পুকুরে অনেক বড় বড় মাছ পাওয়া যায়।সেই মাছ মানুষ উৎসব মুখুর ভাবে সবাই এক সাথে ধরে থাকে।এবং আনন্দে চিৎকার করে।

কিছুদিন আগে ইন্টারনেট এক ভিডিও ভাইরাল হয়। সেখানে এক যুবককে দেখা যায় যে বাঁশের তৈরি খাঁচা দিয়ে পুকুরের সকল শিং মাছের সাথে দত্তসাথে নেয় খুব ছোট আকারের একটি জাল। এই ছোট জাল দিয়ে এতো বড় মাছ ধরতে পারা যাবে তা বিশ্বাস করাই যায় নি।কিন্তু যুবকটি ঠিকই ধরতে পেড়েছে। জাল দিয়ে প্রথমে ছোট ছোট অনেক রুই মাছ ধরে।

তারপর হঠাৎকরে বড় রুই মাছটি জালে উঠে।যুবকটি ছোট ছোট রুই মাছ ধরতে ধরতে হঠাৎ এক বিশাল বড় রুই মাছ ধরে।পাশে অনেক যুবক ছিলো মাছ ধরার জন্য কিন্তু তারা কেউ বড় রুই ধরতে পারে নাই এই একমাত্র যুবক ছাড়া।যুবকটি এতো বড় রুই মাছ ধরতে পেড়ে আনন্দে আনর্থ। যুবকের এই মাছ ধরা দেখার জন্য পুকুরে পাশে লোকের ভিড় জমে যায়।যুবকটি শুধু রুই মাছ ধরেনি সাথে আরো বিভিন্ন ধরনের মাছ ধরেছে।

Check Also

বিদেশী জাতের এই ময়ূর পালন করে, ময়ূর বাচ্ছা বিক্রি করে রাতারাতি লাখপতি বনে গেলেন এই সুন্দরী যুবতী। রইল ভিডিও সহ ময়ূর পালনের যাবতীয় গোপন টিপস।

নিজস্ব প্রতিবেদন:প্রাচীনকাল থেকেই সুস্বাদু মাংস হিসেবে পরিগণিত হয়ে আসছে পাখির মাংস। এরই ধারাবাহিকতায় আধুনিক যুগের …