Breaking News

এই ছোট গাছটি সাধারণ কোন গাছ নয়, আস্ত গিলে ফেলে পোকা মাকড়, এমনকি শামুক ভয়ংকর এই পাতার ভিডিও তুমুল ভাইরাল ইন্টরনেটে।

নিজস্ব প্রতিবেদন: পৃথিবীতে উদ্ভিদজগতের সবচাইতে আশ্চর্যজনক উদ্ভিদ গুলির মধ্যে মাংসাশী উদ্ভিদ হল একটি। এই উদ্ভিদগুলো সাধারণত বিভিন্ন ছোট ছোট পোকামাকড়,মাকর্শা এটারই প্রাণীগুলোকে শিকার করে থাকে। তবে মাঝে মাঝে ছোট আকারের ব্যঙ্গ ও ইঁদুরকেও এদের শিকারে পরিণত হতে দেখা যায়। প্রকৃতিতে এই উদ্ভিদগুলো শুধুমাত্র জীবনধারণের জন্য এরকম আচরণ করে থাকে। জীবনধারণের জন্য আর নির্দিষ্ট কোন পরিবেশে বৃদ্ধির জন্য এ ধরনের উদ্ভিদ মাংসাশী হয়ে থাকে।

বেঁচে থাকার জন্য সব উদ্ভিদকেই মাটি থেকে পানি এবংবিভিন্ন রকম প্রয়োজনীয় উপাদান গ্রহণ করে। এবং সূর্যের উপস্থিতিতে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে খাদ্য সংগ্রহ করে। গাছের বৃদ্ধির জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান হলো নাইট্রোজেন। এজন্য নাইট্রোজেনসমৃদ্ধ মাটিতে অধিকাংশ উদ্ভিদ সবচেয়ে ভালো জন্মে, কিন্তু মাংসাশী উদ্ভিদ জন্মে ভেজা আর স্যাঁতস্যাঁতে নিচু জলাভূমিতে। এখানকার আর্দ্র মাটিতে নাইট্রোজেনের পরিমাণ খুব অল্প থাকে।

যেসব গাছ মূল দিয়ে নাইট্রোজেন সংগ্রহ করে তারা এ পরিবেশের মাটিতে জন্মাতে পারেনা। বেঁচে থাকার জন্য মাংসাশী উদ্ভিদরা অন্য একটি পদ্ধতিতে নাইট্রোজেন সংগ্রহ করে থাকে। তারা বিভিন্ন প্রাণীকে ফাঁদে আটকে ফেলে। এসব প্রাণী মারা যাওয়ার পর তাদের মৃতদেহ থেকে খনিজ উপাদান সংগ্রহ করে। মাংসাশী উদ্ভিদের পাতাগুলো এ কাজে বিশেষভাবে সহায়তা করে থাকে।এদের পাতাগুলো একটু ইউনিক টাইপের হয়। এবং পাতার মধ্যে দাঁতের মতো খাঁজকাটা থাকে।

যা দিয়ে পোকামাকড়কে আঁকড়ে ধরতে পারে। তারা বিভিন্ন পোকামাকড় শিকার করার জন্য শুধুমাত্র পাতাই ব্যবহার করতে পারে। শিকারের পদ্ধতিঃতাদের শিকারের পদ্ধতিটা একটু ভিন্ন রকমের।প্রথমত এসব উদ্ভিদ প্রাণীদের বিভিন্ন পদ্ধতিতে আকর্ষণ করে। অন্যান্য প্রাণীর মতো এসব উদ্ভিদ কাছে গিয়ে কোনো কিছু শিকার করতে পারেনা। বরং শিকার কখন কাছে আসবে এজন্য তাদের দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়। এজন্য পোকামাকড় এবং অন্য প্রাণীদের আকর্ষণ করতে তাদের বিশেষ কিছু পদ্ধতি রয়েছে।

কোনো কোনো মাংসাশী উদ্ভিদ বাতাসে একধরনের গন্ধ ছড়ায় যা মাছি, মৌমাছি কিংবা পিঁপড়ার মতো পোকামাকড়কে আকর্ষণ করে। আবার কোনো কোনো উদ্ভিদ মাছি কিংবা অন্য পোকামাকড়কে আকৃষ্ট করতে একধরনের পঁচা গন্ধ ছড়ায়। অনেক মাংসাশী উদ্ভিদের দেহে উজ্জ্বল রঙের ছোপ ছোপ দাগ দেখা যায়, যা পোকামাকড়কে আকৃষ্ট করার টোপ হিসেবে কাজ করে। কোনো কোনো উদ্ভিদের পাতার চারদিকে ছোট্ট মুক্তোদানার মতো চকচকে কিছু জিনিসের আবরণে ঢাকা থাকে।

এগুলো উজ্জ্বল রঙ এবং সুমিষ্ট গন্ধের সাহায্যে পোকামাকড়কে প্রলুব্ধ করে। সুকৌশলে সৃষ্ট এসব ফাঁদে প্রাণীরা আটকা পড়ে। এই গাছগুলো দেখতে একটু ভয়ঙ্কর রকমের হয়ে থাকে। এগুলোর পাতা অন্যান্য গাছের পাতা থেকে অনেকটা আলাদা। দেখলে মনে হয় কোন রাক্ষসী প্রাণী হা করে আছে। তবে এই গাছগুলো কোন রাক্ষসী প্রাণের চেয়েও কোনো দিক দিয়ে কম নয়। ভাবতেই অবাক লাগে যে কোন গাছ কোন প্রাণীকে খেয়ে জীবন ধারণ করে।

মাংসাশী উদ্ভিদ গুলো সাধারণত দুই ধরণের ফাদ ব্যবহার করে। একটি হচ্ছে কোন প্রাণীকে পাতা দিয়ে আঁকড়ে ধরা। অন্যটি হচ্ছে পাতার উপরে এক ধরনের আঠালো পদার্থ তৈরি হয়, যার উপর বিভিন্ন পোকামাকড় বসলে তা আটকে পড়ে। এছাড়াও আরেক ধরনের মাংসাশী উদ্ভিদ রয়েছে যার পাতাগুলো দেখতে অনেকটা কলসের মত। এর মধ্যে কোন প্রাণী পড়ে গেলে তা আর উঠে আসতে পারে না।

বিস্তারিত ভিডিওতে দেখুনঃ

Check Also

অভিনব পদ্ধতিতে বিষ ও যন্ত্র ছাড়া খুব সহজে ইদুর মারার ফাঁদ বানানো যায়, একবার দেখলে আপনি বানাতে পারবেন। রইলো ভিডিও সহ স্টেপ বাই স্টেপ

নিজস্ব প্রতিবেদন: ইঁদুর একটি চতুর ও নীরব ধ্বংসকারী স্তন্যপায়ী প্রাণী। ইঁদুর প্রাণীটি ছোট হলেও ক্ষতির …