Breaking News

কন্যা সন্তান হলে বাবার আয়ু বাড়ে!

বিশ্বজুড়ে জাতিসংঘের রাষ্ট্রসমূহ প্রতিবছর ১১ অক্টোবর আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবস হিসেবে পালন করে। এই দিবসকে মেয়েদের দিনও বলা হয়। তবে অনেক পরিবারে আজও কেউ গর্ভবতী হলে ছেলে সন্তানের আশা করা হয়। পরপর কয়েকটি মেয়ে হলে সেই মাকে শুনতে হয় নানা কথা। তবে দিন বদলে যাচ্ছে ধীরে ধীরে, সঙ্গে পরিবারের মানুষের মানসিকতা।

সন্তান বাবা-মায়ের কাছে স্বর্গের দূত। সে ছেলে-মেয়ে যাই হোক। শিশুর জন্মের কয়েক দিনের মধ্যেই দেখা যায় মেয়েরা বাবার জন্য আর ছেলে সন্তান মায়ের দিকেই বেশি টান থাকে। ছোট শিশুটির সব কিছুই ভালো লাগে বাবা মায়ের কাছে।বাচ্চার সঙ্গে সময় কাটাতে তাদের ভালো লাগে সবচেয়ে বেশি, শিশুর জন্য সব কাজও বাবা-মা করেন আনন্দ নিয়ে। জানেন কি মেয়ে সন্তান হলে তার প্রভাব পড়ে বাবার আয়ুতে!

সম্প্রতি পোল্যান্ডের জাগিলোনিয়ান ইউনির্ভাসিটির এক গবেষণায় দেখা গেছে, কন্যা সন্তানের সংখ্যার সঙ্গে পিতার লম্বা আয়ুর সমানুপাতিক সম্পর্ক রয়েছে। কন্যা সন্তানের বাবার আয়ু তুলনামূলক বেশি হয়। তারা অন্য পুরুষদের চেয়ে বেশিদিন বাঁচেন। অনেকটা নির্দিষ্ট করেই জানানো হয়, প্রতিটি কন্যা সন্তানের জন্য বাবা ৭৪ সপ্তাহেরও বেশি অতিরিক্ত আয়ু পান।

সন্তান জন্মের পর বাবার মানসিক ও শরীরিক অবস্থা কেমন থাকে সেটি পর্যবেক্ষণ করাই ছিল এ গবেষণার মূল লক্ষ্য। এজন্য দুই হাজার ১৬৩ জন বাবার ওপর সমীক্ষা চালানো হয়। তবে ছেলে সন্তান হলে বাবার আয়ুতে কোনো প্রভাব পড়ে না।

আরও জানুন:

ক্লাস এইট পর্যন্ত কোনো শিক্ষকের কাছে প্রাইভেট পড়েননি শিল্পী মোদক। মা-ই ছিলেন তার শিক্ষক।হবিগঞ্জের রামকৃষ্ণ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রথম ছাত্রী হিসেবে তিনি জুনিয়র বৃত্তি লাভ করেন সে সময়কার প্রধান শিক্ষক শিল্পীর নাম স্কুলের দেয়ালে লিখে রাখেন।সেই প্রধান শিক্ষক আজ বেঁচে নেই, কিন্তু তার প্রিয় ছাত্রী শিল্পীর নাম আজও স্কুলের দেয়ালে আছে।সেই মেধাবী শিল্পীই ৩৭তম বিসিএসে উত্তীর্ণ হয়ে প্রশাসন ক্যাডারে সুপারিশপ্রা’প্ত হয়েছেন। স্কুলের পরীক্ষায় সবসময় প্রথম হয়েছেন শিল্পী। পরিবারে আর্থিক অনটন ছিল,

কাপড় সেলাইয়ের কাজ করে মা ছেলেমে’য়েদের পড়াশোনার খরচ জোগাড় করতেন, কিন্তু ভালো ফলাফলের জন্যই শিল্পীকে স্কুলে বেতন দিতে হতো না;এমনকি শিক্ষকরাই তাকে বই দিতেন। স্কুলে সবসময় বিতর্ক প্রতিযোগিতা, খেলাধুলা ও গানে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন।

২০০৬ সালে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে মাধ্যমিক সম্পন্ন করার পর উচ্চমাধ্যমিকে পড়ার সময় দারিদ্র্যকে খুব ভালোভাবে বুঝতে শেখেন।তখন থেকেই টিউশনি শুরু। সিলেট স’রকারি ম’হিলা কলেজে ভর্তির পর প্রতিদিন মেহেন্দীবাগ এলাকার বাসা থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার হেঁটে কলেজে আসতেন।

কলেজের শিক্ষকরা আন্তরিক ছিলেন, এদের মধ্যে বিনাবেতনে প্রাইভেট পড়িয়েছেন কয়েকজন। ২০০৮ সালে উচ্চমাধ্যমিক পাস করে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলায় ভর্তি হন শিল্পী। তবে যেহেতু বিজ্ঞানের ছাত্রী ছিলেন, তাই বাংলা ছেড়ে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ভর্তি হন উদ্ভিদ রো’গতত্ত্ব ও বী’জবিজ্ঞান বিভাগে।

কাপড় সেলাইয়ের কাজ করে মা ছেলেমে’য়েদের পড়াশোনার খরচ জোগাড় করতেন, কিন্তু ভালো ফলাফলের জন্যই শিল্পীকে স্কুলে বেতন দিতে হতো না;এমনকি শিক্ষকরাই তাকে বই দিতেন। স্কুলে সবসময় বিতর্ক প্রতিযোগিতা, খেলাধুলা ও গানে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন।

Check Also

হাত বাড়াতেই বাচ্চার মত চলে এলো কোলে, কোলে বসে অবুঝ শিশুর মত খাচ্ছে ফল, সবার হৃদেয়ে সাড়া ফেলেছে এক বানর ছানা ও এক মায়ের ভিডিও।

নিজস্ব প্রতিবেদন: মানুষের সাথে অন্যান্য প্রাণীর সখ্যতা অতি প্রাচীনকাল থেকেই চলে আসছে। জীবন নির্বাহের জন্য …