Breaking News

কুকুর দিয়ে মাছ দরার এক অদভুত পদ্ধতি !যুবকের এই বুদ্ধি দেখে প্রশংসায় ভাসাল নেটিজেনরা।

নিজস্ব প্রতিবেদন:শুধু বাঙালি কে মাছে ভাতে বাঙালি বলা হয় না।বাঙালি ছাড়া আরও বুহুজাতি মানুষ আছে যারা মাছ খেতে ভালোবাসে।যেমন:বিভিন্ন ক্ষুদ্র জাতির মানুষ গারো,মারমা,মং,ত্রিপরা,হায়জং,চাকমা,বারমা জাতিসত্তা সমূহের অধিবাসীদের মধ্যে চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, তঞ্চংগ্যা, ম্রো, লুসাই, বোম, পাংখো, খুমি, চাক, খেয়াং প্রভৃতি উপজাতি রয়েছে।

অ-উপজাতীয়দের মধ্যে ৪৮ ভাগ মুসলমান এবং বাকীরা হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বী। র্ধম,র্বণ,র্নিবেশেষে সবাই মাছ খেতে ভালোবাসে। আবার মাছ ধরতেও অনেকে ভালোবাসে।মাছ ধরা কারো পেশা আবার কারোও নেশাওবটে।যারা মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে তাদের  কে আমরা জেলে বলে থাকি।বাংলাদেশ ছাড়া ভারতেও অনেকে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে।ভিপুরো শীত মৌসুমেই গ্রামগঞ্জে মাছ ধরার এই চিত্র চোখে পড়ে।

আর মাছ ধরায় সামিল হতে পেরে শিশু-কিশোরদের আনন্দ আর আনন্দ। কাদা-পানিতে সারা শরীর মাখামাখি করে তারা মাছ ধরার আনন্দে বিভোর থাকে। কৈ, শিং, মাগুর প্রভৃৃতি দেশি জাতের জিয়ল মাছই ধরা পড়ে বেশি। তাছাড়া টেংরা, পুঁটি, খইলসা, শোল, টাকি, প্রভৃতি মাছ তো রয়েছেই। বর্ষাকালে ফিশারিসহ বিভিন্ন জলমহালের মাছ ভেসে গিয়ে ডোবা-পুকুর, খাল-বিল এবং নিচু জালাভ‚মিতে আশ্রয় নেয়। পরে শুকনো মওসুমে সেইসব মাছ ধরা পড়ে।

বর্তমানে গ্রামগঞ্জের হাটবাজারে প্রচুর পরিমাণে মাছ পাওয়া যাচ্ছে এবং অন্যান্য সময়ের তুলনায় দামও এখন অনেক সস্তা। এদিকে কুমিল্লা জেলার চান্দিনাসহ বিভিন্ন উপজেলায় বিভিন্ন খালে-বিলে অহরহ ছোট ছোট জাল ও চাই (ফাঁদ) দিয়ে ছোট-বড় কই, শিং, মাগুর, ভেদি, বায়লা, পাবদা, চিংড়িসহ দেশি মাছ শিকার দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির মাছের প্রজনন না হওয়ায় ওই সব মাছের প্রজাতি হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এলাকার প্রবীণ ব্যক্তিরা জানান, দেশি কই, শিং, মাগুর, ভেদি, মাছের প্রজননের সময় মা মাছেরা ডিম ছাড়ার জন্য বৃষ্টির পানিতে ভেসে গিয়ে ধান ক্ষেত, ডোবা, নালা, খাল-বিলে আশ্রয় নেয় এবং ডিম ছাড়ে। চান্দিনার খাল, বিল, ডোবা, নালায় এখন ছোট বড় হরেক প্রজাতির দেশি মাছ বড় হয়ে ওঠার অপেক্ষায়।

কিন্তু চান্দিনাসহ আশপাশের এলাকাগুলোতে ছোট ছোট জাল ও চাঁই (ফাঁদ) পেতে ছোট ছোট মাছসহ ডিমঅলা মাছগুলো ধরে অহরহ বিক্রি করছে হাট-বাজারে। সরেজমিনও শুহিলপুর এলাকায় চাঁই দিয়ে মাছ ধরার হিড়িক চলতে দেখা গেছে। হাত দিয়ে মাছ ধরার মজা টাই আলাদা ।এক বার কাদা হতে মাছধরতে পারলে  বের হতে পারে না। বিভিন্ন হাট-বাজার রে মৎস্য শিকারীরা মাচ বিক্রি করে।

তৈরি ওই বিশেষ কিনে নিয়ে জমির রোপা ধানের কাটার পরে তারা ধানের ফাকে ফাঁকে মাচ ধরা শুরূ করে।বিভিন্ন প্রজাতির মাছ শিকার করা হয়। এতে নিন্ম আয়ের মানুষরা তিন বেলা পরিবারের খাওয়ার পরও এক থেকে দেড়শ টাকার মাছ বিক্রি করতে পারছেন।এক যুবক জানান, যে দিন বেশি বৃষ্টি হয় সেই দিন ওই চাইতে বেশি মাছ ধরা পড়ে।

তবে মাছের ওই মরণফাঁদে ছোট ছোট বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ধরা পড়ায় মাছের প্রজনন সঙ্কট দেখা দিচ্ছে এবং অদূর ভবিষ্যতে দেশি বিভিন্ন প্রজাতির মাছ হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞ মহল।ভিডিও তে দেখা যাচ্ছে যে যুবক যখন হাওরে মাছ দরতে আসেন তখন তার সাথে তার পালিত পুশু কুকুরও আসেন।যুবক যত গুলো মাছ ধরতেন ঠিক তত গুলো মাছ কুকুরটি দেখিয়ে দিতেন।একটি বোবা প্রাণী ও একটি কুকুরের এমন ভালোবাসা দেখে নেটদুনিয়াই প্রসংশায় ভাসাল নেটিজেনরা।বিস্তারিত রইল ভিডিওতে।

 

Check Also

জাল দিয়ে অভিনব পদ্ধতিতে গ্রামের পুকুরে ডুব দিয়ে তুলে নিয়ে আসছে জাল ভর্তি বড় বড় কাতলা মাছ, অবাক করা সেই ভিডিও ভাইরাল নেটদুনিয়ায়, তুমুল ভাইরাল সেই ভিডিও

নিজস্ব প্রতিবেদন:সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন আশ্চর্যজনক ঘটনা দিলেই ভাইরাল হয়ে যায়। সেটা নাচ, গান, মাছ ধরা, …