Breaking News

বাড়ির আঙিনায় একদম ছোট যায়গায় এই পদ্ধতিতে শসা রোপন করলে হবে ব্যাপক ফলন, জানুন স্টেপ বাই স্টেপ পদ্ধতি ভিডিও সহ!

নিজস্ব প্রতিবেদন:আমাদের মধ্যে অনেকেই বাড়ির ছাদে টবে শসা চাষ করে থাকেন। কিন্তু সঠিকভাবে টবে শসা চাষ পদ্ধতি না জানার কারণে ভালো উৎপাদন হয় না বা গাছ সতেজ হয় না। এখানে একে একে তুলে ধরা হলো কিভাবে শসা গাছের সঠিকভাবে পরিচর্যা করতে হয়,

শসা গাছের জন্য প্রাকৃতিক কীটনাশক তৈরির পদ্ধতি, টবে শসা চাষ পদ্ধতি, টবে শসা চাষের জন্য মাটি তৈরির উপায়, ও টবে শসা গাছের রোগবালাই ও রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাপনা।শসার উন্নত জাতঃআমাদের দেশে কিছু উচ্চ ফলনশীল জাত উদ্ভাবন হয়েছে যা বার মাসই চাষ করা যায়। এর মধ্যে বারি -১ অন্যতম।

সম্প্রতি আমাদের দেশে হাইব্রিড জাতের শঁসার বীজ পাওয়া যায় এগুলোর মধ্যে জাপানিজ লং গ্রিণ, পূষা,স্ট্রেট এইট অন্যতম।শসার বীজ থেকে চারা তৈরিঃ ভালো চরা তৈরি করতে হলে পলিব্যাগে চারা তৈরি করা সবচেয়ে উত্তম। ভালো চারা তৈরি করতে হলে পলিব্যাগে চারা তৈরী করা সবচেয়ে উত্তম।

সেক্ষেত্রে বীজ থেকে চারা তৈরির সময় প্রথমে বীজ গুলোকে ১২ ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন।এরপর একটি বীজতলা তৈরি করতে হবে। এর জন্য ৬০ ভাগ দোআঁশ মাটি ৪০ ভাগ শুকনো গোবর ও অল্প পরিমাণ ছাই মিশিয়ে বীজতলা টি তৈরি করে নিন। এবার ভেজানো বীজগুলোকে নতুন তৈরি করা বীছ তলায় বসিয়ে একটি পাটের ছালা অথবা সুতি কাপড় দিয়ে ঢেকে দিন।

এরপর কিছুদিন ওই কাপড় বা ছালার উপর কিছু কিছু করে পানি দিয়ে যান। তিন থেকে চার দিনের মধ্যেই বীজ গুলো অঙ্কুরিত হবে। এবার নতুন গজানো বীজ গুলো তুলে আপনার তৈরি করা পলি ব্যাগ গুলোতে স্থানান্তর করুন
টবে শসা গাছের পরিচর্যাঃ ড্রামে বা টবে শসা চাষ করলে সর্বনিম্ন টবের সাইজ ১৮”×১৮” হতে হবে। এরকম একটি টবে ১-২ টি চাড়া রোপণ করা যাবে।

শসা চাষের জন্য টবে মাটি তৈরিঃ শসা চাষের জন্য মাটি তৈরির সময় টবের নিচে ২” পরিমাণ ইটের সূরকী দেবেন । এর পর মোট মাটির ২৫ ভাগ গোবর বা পাতা পচা সার ও ৭০ ভাগ দোআঁশ মাটি ও ৫ ভাগ ছাই মিশিয়ে টব বোঝাই করতে হবে। এছাড়া মাটিতে রাসায়নিক সার প্রয়োগ করতে হবে।রাসায়নিক সার গুলোর মধ্যে ইউরিয়া সার ৫০ গ্ৰাম,টিএসপি ৩০ গ্ৰাম,এমওপি সার ২০ গ্ৰাম মিশিয়ে নিন।

টবে শসা গাছে পানি শেষঃ শসা গাছের জন্য প্রচুর পানি প্রয়োজন হয়। এজন্য প্রতিদিন সকাল বিকেল দুই বার করে পানি সেচ দিতে হবে।শসা গাছে সার প্রয়োগঃরোপণের সময় প্রয়োগ কৃত সার এর বাইরে ও নিয়মিত জৈব সার প্রয়োগ করতে হবে। এছাড়া গাছের অবস্থা দেখে ইউরিয়া ও অন্যান্য সার গাছের গোড়ার ৬” ইঞ্চি দূরে মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে।

শসা গাছের রোগ বালাই দমনঃ শসা গাছের রোগ বালাই দমন এর প্রাকৃতিক পদ্ধতি :১, আপনার শসার মাচায় পাখি বসার ব্যবস্থা করে দিন।পাখি ক্ষতিকর সব পোকা খেয়ে এর দমন করতে সহায়তা করে।২,এছাড়া একধরনের জৈব ফাঁদ পাওয়া যায় বাজার থেকে এগুলো কিনে এনে ব্যবহার করলে অধিকাংশ পোকা মাকড় এর মধ্যে ধরা পড়ে।

৩, জৈব কীটনাশক প্রয়োগ, শসা গাছের রোগ বালাই দমন করতে জৈব কীটনাশক ব্যবহার করতে পারেন। এই ধরনের কীটনাশক নিম পাতা সেদ্ধ করে বা গাঁদা ফুলের পাতার রস থেকে তৈরি করা যায়। এছাড়া নিমের তেল স্প্রে করেও প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে কীট পতঙ্গ দমন করা সম্ভব। বর্তমানে বাজারে নিমের তেল কিনতে পাওয়া যায়। শসা গাছের রোগবালাই দমন।

৪, বিষ টোপ ব্যবহার করেও পোকা দমন করা যায়। সে ক্ষেত্রে বিষ টোপ তৈরি করার জন্য ১০০ গ্রাম থেঁতলানো কুমড়ার সাথে ১০০ গ্ৰাম পানি দিয়ে ০.২৫ গ্ৰাম ডিপটেরেক্স মিশিয়ে এই মিশ্রণটি মাটির পাত্রে ঢেলে টপ বা ড্রামের কাছে রেখে দিন দেখবেন বিভিন্ন রকম পোকা এর মধ্যে আসবে এবং মারা পড়বে। এই বিষ টোপ এর কার্যকারিতা তিন থেকে চার দিন ধরে থাকে। চার দিন পর পর এটি পরিবর্তন করে দিতে হবে।শসা গাছের রোগবালাই দমন।

Check Also

সমুদ্রের নীল তিমি কত টা ভয়ংকর হয়! সমুদ্র থেকে লাফ দিয়ে বক শিকার করে নেয় নীল তিমি,নেট দুনিয়াই ভাইরাল সেই ভিডিও।

নিজস্ব প্রতিবেদন: মানুষ সামাজিক জীব।প্রাকৃতিক পরিবেশের মধ্যে সে জন্মে এবং সেখানেই বড় হতে থাকে।ফলে প্রকৃতির …