Breaking News

বাড়ির ছাদে মাটি ছাড়াই করুন ফলের চাষ, খেয়াল রাখুন এই ৩ টি বিষয়ের

কৃষি বিশেষজ্ঞবীদের মতে, রাসায়নিক সার দ্বারা উৎপাদিত ফসল মানুষের শরীরের পক্ষে খুবই ক্ষতিকর। যার কারণে বর্তমান প্রজন্ম জৈবিক খেতির উপর আগ্রহ দেখাচ্ছে। যেহেতু, জৈব সার দ্বারা উৎপাদিত ফল বা সবজি মানুষের শরীরের পক্ষে খুব সুইটেবল। সেহেতু, আজকাল দেখা যাচ্ছে প্রায় মানুষ বাড়ির ছাদ কিংবা অল্প জায়গার মধ্যে নিজেদের প্রয়োজনীয় সবজি সামগ্রী উৎপন্ন করে থাকছে। তবে বর্তমানে জৈব সার দ্বারা উৎপাদিত ফসলের চাহিদা বাজারে বেড়ে উঠছে যার জন্য অনেকেই জৈবিক ফার্মিং এর উপর মনোযোগী হচ্ছেন। এবং তাদের চাষযোগ্য জমিকে ধীরেধীরে জৈবিক খেতিতে পরিণত করছে। আসুন আমরা আপনাকে এই জৈবিক খেতির সম্পর্কে বিস্তারিত জানাই।

কম খরচ ও লাভক্ষতি:-
একদিকে যেমন রাসায়নিক সার দ্বারা উৎপাদিত ফসল মানুষের শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর, অন্যদিকে আবার এই সারের বাজার মূল্য অনেক বেশি। সেই তুলনায় জৈবিক সার দ্বারা উৎপাদিত ফসল মানুষের শরীরের পক্ষে ক্ষতিকারক প্রভাব ফেলে। অথচ এই সারের দাম রাসায়নিক সারের তুলনায় বহুগুণ কম। আজকের দিনের চাষীদের রাসায়নিক সার ও আরো অন্যান্য খরচ মিলিয়ে যে পরিমাণ টাকা ব্যয় হয় ফসলের ন্যায্যমূল্য না পাওয়ার কারণে আয়ের পরিমাণ হয় কম। হিসাব করে দেখা যায় তো জৈব সার দ্বারা উৎপাদিত ফসলে খরচ অনেক কম হওয়ার কারণে ব্যায়ের তুলনায় লভ্যাংশ অনেক বেশি থাকে।

অল্প জায়গায় চাষ ও ন্যূনতম মাটি:-
আজকাল কুকিং প্রেমীরা তাদের প্রয়োজনীয় সবজি সামগ্রী বাড়ির ছাদ কিংবা অল্প জায়গার মধ্যেই উৎপন্ন করে থাকছে। যাদের ক্ষেত্রে বাড়ির ছাদ নাই তারা উঠুন কিংবা অল্প একটু জায়গার মধ্যেই চাষ করে নিচ্ছে নানান ধরনের সবজি। জৈবিক খেতির একটি বিশেষ গুণ হলো এই প্রযুক্তির জন্য একটি গাছ তৈরি করতে মাটি খুব অল্প পরিমাণ লাগে। বিশেষ করে শহরাঞ্চলে মাটির সংকটের জন্য বেশিভাগ বাড়িতে দেখা যায় কুকিং প্রেমীরা তাদের প্রয়োজনীয় সবজি ফলাচ্ছে। যেখানে তারা বস্তা, টব প্লাস্টিকের বালতি, হাঁড়ি ও আরো অন্যান্য পাত্রে বীজ রোপন করে সবজি করছে।

বিশেষত্ব:-
আমরা যদি আজ থেকে কিছু দশক পিছিয়ে যাই আপনারা অনেকেই জেনে থাকবেন সেই সময়ে মানুষ ফসল উৎপন্ন করত পৌরাণিক পদ্ধতিতে। যেখানে একটি জমিকে দুটো ভাগে ভাগ করে নেওয়া হতো এক সাইট ফসল উৎপন্ন হতো এবং আর এক সাইট বাড়ির জৈব পদার্থ, গরুর মল এবং আরো অন্যান্য আবর্জনা ফেলা হতো। উৎপন্ন ফসল তুলে নিয়ে আবার জমির অন্য ভাগ নতুন ফসল রোপণ করত। এইভাবে পৌরাণিক পদ্ধতিতে মানুষ আগে চক্রাকারে ফসল উৎপন্ন করত। যার ফলে সেই সময়ের মানুষগুলোর আয়ু ছিল দীর্ঘজীবী।

বর্তমানে 100 বছরের বেশি বয়স মানুষ দেখা যায় না এবং তরুণ প্রজন্মের আয়ু তো 50-60 এর কাছাকাছি চলে এসেছে। কারণ সেই সময়ের মানুষ খাঁটি ফসল খেতো কিন্তু বর্তমান প্রজন্ম সবই খাচ্ছে রাসায়নিক সার দ্বারা উৎপন্ন ফসল। যা মানুষের শরীরকে একটু একটু করে ক্ষতি করে আসছে। তবে আজকের দিনের মানুষ অনেক সচেতন হয়েছে। তারা জৈবিক সার দ্বারা উৎপন্ন ফসলের গুরুত্বতা বুঝে অনেকে বাড়িতে জৈবিক ফসল ফলাচ্ছে। আবার অনেকে তো এই প্রযুক্তির উদ্যোগতা নিয়ে জৈবিক ফার্মিং-এর উপর খুব মনযোগ হয়ে উঠেছে।

Check Also

এই ৫ টি লক্ষণ আপনার মধ্যে থাকলে আপনি জিনিয়াস

নিজস্ব প্রতিবেদন: এই ৫ টি লক্ষণ আপনার মধ্যে থাকলে আপনি জিনিয়াস – আপনার পরিক্ষার নম্বর …