Breaking News

রাস্তায় ভাল্লুক কে বিরক্ত করায় প্রচন্ড ক্ষেপে যায় পথচারির উপর, যুবকের ‍পিছু পিছু দৌড়াতে দৌড়াতে ঘুতো দিয়ে সাইকেল সহ বাস্তার নিচে য়ে ফেলে দিল, তুমুল ভাইরাল ভিডিও।

নিজস্ব প্রতিবেদন:ক্যামেরার সামনে মজার মজার পোজ় দিয়ে ছবি তোআপনি কতই তুলেছেন। কত বার হেসে গড়িয়েছেন সে ছবি দেখে। আপনার আশপাশে এরকম মানুষও কম নেই, ক্যামেরা দেখলেই যাদের রসবোধ উপচে পড়ে। কিন্তু আজকে আপনি যে ছবিগুলো দেখবেন, সেগুলো যে সে সব মজাকে ছাপিয়ে যাবে, তা নিশ্চিত করে বলা যায়।

কারণ ক্যামেরার লেন্সে যে না-মানুষদেরও এরকম মজার মুহূর্ত ধরা পড়ে, তা যেন অবিশ্বাস্য। আপনি বলেন যে, একজন মানুষ যখন আনন্দময় থাকে, তখন সে আরো নমনীয়, আরো মুক্ত হয়ে ওঠে, তার ব্যক্তি-স্বতন্ত্রের বোঝাটা কমে যায়।এই আনন্দ আসলে কী?সত্যিকারের আনন্দ যে কী তা একটু ব্যাখ্যা করে বলবেন?

কি করে যে বলি?এই প্রশ্নটা হয়তো উঠে আসছে আনন্দের প্রকৃতি নিয়ে একরকম ভুল বোঝাবুঝি থেকে। আজকাল এমনকি সাইকেডেলিক ড্রাগের নাম দেওয়া হচ্ছে “ব্লিস”।আপনি যদি পাশ্চাত্যে বলেন “ব্লিস”, লোকে ভাববে আপনি বোধহয় কোনো ট্যাবলেট বা ড্রাগের কথা বলছেন।”সত্যিকারের আনন্দ” বা “মিথ্যেকারের আনন্দ” বলে কিছু হয় না।

আপনি যখন সত্যে থাকেন, আপনি আনন্দে থাকেন। প্রকৃতই আপনি যখন সত্যের সান্নিধ্যে থাকেন।স্বাভাবিকভাবেই আপনি আনন্দে থাকেন। আনন্দময় আছেন কি না আপনার কাছে একটা লিটমাস পরীক্ষার মত যার মাধ্যমে পরখ করে দেখতে পারেন যে আপনি সত্যের সান্নিধ্যে আছেন কি না।

এই প্রশ্নটা সম্ভবত নির্দিষ্ট এক ধরণের মানসিকতা থেকে উঠে আসছে: “আমি যদি কেবল সূর্যাস্ত দেখে আনন্দময় হয়ে উঠি,সেটা কি সত্যিকারের আনন্দ?বা যখন প্রার্থনা করছি,তখন যদি আনন্দময় হয়ে উঠি, সেটাই কি সত্যিকারের আনন্দ?বা যখন ধ্যান করে আনন্দময় হয়ে উঠি, সেটা সত্যিকারের আনন্দ?”

বেশিরভাগ লোকেই সুখকে আনন্দ বলে ভুল করেন। সুখকে কখনোই ধরে রাখতে পারবেন না। কিন্তু আনন্দময়তা মানে এমন এক অবস্থা যা কোনো কিছুর ওপরে নির্ভরশীল নয়। সুখ সবসময়েই কোনোকিছু বা কারো না কারোর ওপরে নির্ভরশীল। আনন্দময়তা কোনোকিছুর ওপর নির্ভরশীল নয়। এটা আপনার আপন প্রকৃতি; একবার যেই আপনি এর পরশ পান, এতেই থাকেন, সেটাই সব

আনন্দময়তা এমন কিছু না যা আপনি বাইরে থেকে অর্জন করেন; এটা এমন কিছু যা আপনি নিজের গভীরে খুঁড়তে খুঁড়তে খুঁজে পান। এটা অনেকটা কুয়ো খোঁড়ার মতন। আপনি যদি মুখ হাঁ করে অপেক্ষা করে থাকেন যে কখন বৃষ্টির জল আপনার মুখের মধ্যে পড়বে, যখন বৃষ্টি হবে কয়েক ফোঁটা হয়তো ভিতরে পড়বেও,

তা সত্ত্বেও তৃষ্ণা মেটাতে বৃষ্টির জন্য মুখ হাঁ করে থাকা খানিকটা হতাশাজনক। আবার, বৃষ্টি চিরকাল স্থায়ীও হওয়ার না। ঘণ্টাখানেক কি দু’ঘণ্টা, তারপর শেষ।এইজন্যই আপনার নিজের কুয়োটা খোঁড়া দরকার – যাতে সারাবছরই আপনার জল থাকে। আপনি যা “সত্যিকারের আনন্দ” বলে উল্লেখ করছেন তা শুধু এটাই:

আপনি নিজ অন্তরেই নিজের কুয়োটি খুঁড়ে জলের সন্ধান পেয়েছেন, যে জল সবসময়ই আপনাকে বাঁচিয়ে রাখে। এরকম নয় যে যখন বৃষ্টি হয় আপনি মুখ হাঁ করে থাকেন। না, জল সবসময় আপনার সাথেই রয়েছে। সেটাই আনন্দ।

Check Also

বিদেশী জাতের এই ময়ূর পালন করে, রাতারাতি লাখপতি হয়ে গেলেন সুন্দরী যুবতী। রইল ভিডিও সহ ময়ূর পালনের যাবতীয় গোপন টিপস।

নিজস্ব প্রতিবেদন:প্রাচীনকাল থেকেই সুস্বাদু মাংস হিসেবে পরিগণিত হয়ে আসছে পাখির মাংস। এরই ধারাবাহিকতায় আধুনিক যুগের …