Breaking News

শুকিয়ে যাওয়া ক্ষেতে গর্ত খুড়তেই লঙ্কা কান্ড। গর্ত থেকে এক এক করে বেড়িয়ে আসতে থাকল বিশাল বিশাল শিং মাছ। তুমুল ভাইরাল ভিডিও

নিজস্ব প্রতিবেদন:শিং ও মাগুর মাছ :শিং ও মাগুর মাছের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে ফুলকা ছাড়াও এদের অতিরিক্ত শ্বসনতন্ত্র আছে যার মাধ্যমে এরা বাতাস থেকে সরাসরি অক্সিজেন নিতে পারে। ফলে এরা অল্প অক্সিজেন যুক্ত পানিতে বা পানি ছাড়াও দীর্ঘক্ষণ বেঁচে থাকতে পারে।

এজন্য শিং ও মাগুর মাছকে জিওল মাছ বলা হয়। শিং ও মাগুর মাছ সর্বভুক জাতীয় মাছ।মাছের রং চকচকে এবং টাটকা দেখাতে কাপড়ের কৃত্রিম রং এবার মাগুর ও শিং মাছে। এ মাছ গুলো আসলে দেশি মাছ না মৎস্য অধিদপ্তর কতৃক নিষিদ্ধ বিদেশি মাগুর মাছ।

জমকাল ভাবে বিক্রি হচ্ছে কৃত্রিম রঙের ২০০ টাকা কেজি দরের বিদেশি মাগুর মাছ। দেশি মাছ ভেবে ৮০০ থেকে ৬০০ টাকা কেজি দরে দাম হাঁকছেন বিক্রেতারা।সুন্দর লোভনীয় একেবারে অবিকল দেশি শিং ও মাগুর মাছের মতো রং হওয়ার কারণে স্মৃতিকাতর হয়ে পড়েছেন কেউ কেউ।

দ্রুত ক্ষতিকর রং মেশানো মাছ যাতে বাজারে বিক্রি না হয় সেই ব্যাপারে পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি স্থানীয়দের।এদিকে মাছের গায়ের রং সুন্দর হওয়ার ফলে দামের বিষয়টি নজরে আনছেন না ক্রেতারা; কিন্তু একটু খেয়াল করলেই দেখা মিলবে মাছের গায়ে লাগানো অতিরিক্ত কৃত্রিম রঙের প্রলেপ।

এ রকম মাছের বিক্রি দেখা মিলছে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার গাউছিয়া মাছের আড়তসহ বিভিন্ন বাজারে।গাউছিয়া মাছের আড়ত, আব্দুল হক সুপার মার্কেটের মাছ বাজার, তাঁত বাজার, গাউছিয়া কাঁচাবাজারসহ বিভিন্ন বাজারে দেখা গেছে রং মিশ্রিত মাছ বিক্রি হচ্ছে।

সরেজমিন বাজারে গিয়ে পাওয়া যায় অভিযোগের সত্যতা। মাছের গায়ে আঁচড় কাটলে উঠে আসছে ক্ষতিকর রং। মাছ কচলে ধুয়ে নিলে সেই জল হয়ে যাচ্ছে হলদেটে।কৃত্রিম কাপড়ের রং এ রয়েছে কান্সার সৃষ্টিকারি উপাদান যা স্বাস্থের জন্য খুবই ক্ষতিকর।

বড় বাইন বা বামুশা বা দেশি বড় বাইন বা বাও বাইম বা রাজ বাইম বা বানেহারা বা বামোশ (বৈজ্ঞানিক নাম: Anguilla bengalensis) হচ্ছে অ্যাঙ্গিলিডি পরিবারের মাছ।বাংলাদেশের ২০১২ সালের বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনের রক্ষিত বন্যপ্রাণীর তালিকার তফসিল ১ অনুযায়ী এ প্রজাতিটি সংরক্ষিত

মাছধরা এটি একটি অন্যতম অনুভূতি। যারা মাছ ধরে তারাই ঐ আনন্দটা পেয়ে থাকে। আমাদের দেশে যখন পচন্ড খরা দেখা দেয় তখন বিলের মাটি গুলো শুকিয়ে ফেটে যায় আবার যখন এগুলো উপর বৃষ্টির পানি পড়ে। এগুলোর ভিতরে ওই সময় যে মাছগুলো ঢুকে যায় আবার বৃষ্টির পানি পড়লে মাছ গুলো বের হয়ে আসে।

এই দৃশ্যটি ব্যাপকভাবে জনপ্রিয় হয়েছে ইন্টারনেট দুনিয়ায়। সকলে করছে সমালোচনা অনেকে হচ্ছে অবাক। নেটিজেন এর যেন বিশ্বাস করতে পারছে না তাদের চোখ কে।তারা অদ্ভুতভাবে তাদের ভাব প্রকাশ করছে ।আর করেছে এই অদ্ভুত ভিডিও আলোচনা-সমালোচনা।নেটের জগতে চারিদিকে ছড়িয়ে পড়েছে এই ভিডিওটি।

Check Also

সমুদ্রের নীল তিমি কত টা ভয়ংকর হয়! সমুদ্র থেকে লাফ দিয়ে বক শিকার করে নেয় নীল তিমি,নেট দুনিয়াই ভাইরাল সেই ভিডিও।

নিজস্ব প্রতিবেদন: মানুষ সামাজিক জীব।প্রাকৃতিক পরিবেশের মধ্যে সে জন্মে এবং সেখানেই বড় হতে থাকে।ফলে প্রকৃতির …