Breaking News

শুকিয়ে যাওয়া বিলে গটলো লংকা কান্ড! খরার ফাটা হতে নিজে নিজে বেরিয়ে আসল গোল্ড ফিস!সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ভিডিও

নিজস্ব প্রতিবেদন:গোল্ডফিশ (ক্যারাসিয়াস অর্যাটাস) প্রজাতি । এই মাছ বর্গের সদস্য। এটি অ্যাকোয়ারিইয়ামে রাখা সর্বাধিক মাছের মধ্যে একটি ।গোল্ডফিশ কার্প পরিবারের অপেক্ষাকৃত ছোট সদস্য রয়েছে )। গোল্ডফিশ স্থানীয় মাছ। এক হাজার বছর আগে চীনতে প্রথম প্রথমবারের মতো এই মাছ বেছে নেওয়া হয়েছিল এবং এর পরে বিভিন্ন স্বতন্ত্র বিকাশ হয়েছে।

গোল্ডফিশের জাত আকার, দেহের আকৃতি এবং রঙে বিভিন্নভাবে পরিবর্তিত হয় (সাদা, হলুদ, কমলা, লাল, বাদামী এবং কালো রঙের বিভিন্ন সমন্বযয়ে পরিচিত)।আমরা অ্যাকুরিয়ামে যে সমস্ত মাছ পুষে থাকি তার মধ্যে গোল্ড ফিশ অন্যতম ।

অ্যাকুরিয়ামে গোল্ড ফিশ বেশ কিছু বছর বেঁচে থাকে,এই সময়কালে মেয়ে গোল্ড ফিশের পেটে ডিম আসে অনেকবার । মেয়ে গোল্ড ফিশ অনেক সময় ডিম ছাড়তে না পেরে মারাও যায় । কয়েকটি পদ্ধতি মেনে অ্যাকুরিয়ামের মধ্যে গোল্ড ফিশের ডিম পাড়ানো সম্ভব এবং বাচ্চা ফোটানোও সম্ভব । যারা ব্যাবসায়িক ভিত্তিতে গোল্ড ফিশ মাছ চাষ করতে চান তারাও খুব ভালো ভাবে এই মাছের ডিম ফুটিয়ে মাছের বাচ্চা করে ,

সেইবাচ্চা বড় করে সহজেই লাভের মুখ দেখতে পারেন । যারা শখ করে গোল্ড ফিশের বাচ্চা ফোটাতে চান তারাও এই পদ্ধতিতে এই মাছের বাচ্চা করে খুব আনন্দ পেতে পারেন । গোল্ড ফিশ মাছের ডিম ফোটাবার জন্য তিনটি পদ্ধতি আছে ।

১ম টি হল ইঞ্জেক্সান ব্রিডিং , এই পদ্ধতিতে গোল্ড ফিশের ডিম পাড়াবার জন্য ছেলে মাছ টিকে মেল হরমোন এবং মেয়ে মাছ টিকে ফিমেল হরমোন পরিমান মতন ইঞ্জেক্সান করতে হয় । ২য় পদ্ধতি হল হান্ড ব্রিডিং , এই পদ্ধতিতে হাত দিয়ে চেপে চেপে মেয়ে গোল্ড ফিশ মাছের ডিম বের করতে হয় এবং হাত দিয়ে চেপে চেপে ছেলে গোল্ড ফিশের শুক্রাণু বের করতে হয়।

গোল্ড ফিশ মাছের ডিম পাড়াবার জন্য এই দুই পদ্ধতিই বেশ কষ্ট সাধ্য এবং সমস্যা বহূল । আজ আমি আলোচনা করব সব থেকে সহজ ৩য় পদ্ধতি নিয়ে । এই পদ্ধতিতে গোল্ড ফিশ মাছের ডিম পাড়ানো খুব সহজ । এই পদ্ধতিতে যে কেউ গোল্ড ফিশ মাছের ডিম পাড়াতে পারবেন ।

আপনারা দেখেছেন অ্যাকুরিয়ামে মেয়ে গোল্ড ফিশ মাছের পেটে সারা বছর ডিম থাকে , তবে মেয়ে মাছের বয়স কম পক্ষে ৬ মাস হতে হবে । আমার মতে গোল্ড ফিশ মাছের ডিম পাড়াতে হলে গোল্ড ফিশ মাছের বয়স ১ বছর বা তার বেশি হলে সেই মাছের ডিম পাড়ানো হলে ডিম ফোটার পরিমান অনেকটাই বেশি হয় এবং মাছের বাচ্চা গুলি অনেক সুস্থ সবল হয় , এবং বাচ্চার বৃদ্ধি অনেক ভালো হয় ।

মাছের ডিম পাড়াতে হলে আরো একটি দিকে খেয়াল রাখবেন যেটা হল মাছের জাত , গোল্ড ফিশ নানান জাতের পাওয়া যায় যেমন রেড গোল্ড , সুভাঙ্কিং , ব্ল্যাক গোল্ড , বাবল আই , ইত্যাদি আরো অনেক প্রজাতির গোল্ড ফিশ মাছ পাওয়া যায় বা আপনারা অ্যাকুরিয়ামে রেখে থাকেন । এই সব জাতের গোল্ড ফিশ মাছ ই একে অপরের সাথে ব্রীড করতে সক্ষম ,

কিন্তু কখনই এই ভাবে গোল্ড ফিশ মাছের ডিম পাড়াবেন না , কারন এই ভাবে একজাতের গোল্ড ফিশের সঙ্গে অন্য প্রজাতির গোল্ড ফিশের ব্রীড করানো হলে মাছের বাচ্চা ভালো হবে না মাছের রঙ বা লেজ সব কিছুই খারাপ হতে পারে । যখন ডিম পাড়াবেন এক জাতের গোল্ড ফিশের মধ্যেই পাড়াবেন ।বিস্তারিত ভিডিওতে

Check Also

জাল দিয়ে অভিনব পদ্ধতিতে গ্রামের পুকুরে ডুব দিয়ে তুলে নিয়ে আসছে জাল ভর্তি বড় বড় কাতলা মাছ, অবাক করা সেই ভিডিও ভাইরাল নেটদুনিয়ায়, তুমুল ভাইরাল সেই ভিডিও

নিজস্ব প্রতিবেদন:সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন আশ্চর্যজনক ঘটনা দিলেই ভাইরাল হয়ে যায়। সেটা নাচ, গান, মাছ ধরা, …